কয়েক দশকের অপরিকল্পিত ডাম্পিং গ্রাউন্ডে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে আবর্জনা পুনঃনবিকরনের কাজ শুরু
দি নিউজ লায়ন; শিলিগুড়ি ডাম্পিং গ্রাউন্ড এলাকার নরক যন্ত্রনা মেটাতে রাজ্যের সরকারের উদ্যোগে বায়ো মাইনিং প্রকল্পের কাজ শুরু। রাজ্য সরকারের প্রায় ১৮লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তায় মঙ্গলবার শিলিগুড়িতে অত্যাধুনিক বায়ো মাইনিং প্রকল্পের সূচনা হয়। দীর্ঘ ৭০বছর ধরে শিলিগুড়ি পুর এলাকার ৪৭টি ওয়ার্ডের আবর্জনা ৪১নাম্বার ওয়ার্ডে খোলা জায়গায় কোনোরকম পরিকল্পনা ছাড়াই জমায়েতে করে পাহাড় সমান স্তুপ তৈরি হয়েছে।
যার জেরে ওই এলাকা তথা শিলিগুড়ি পুরনিগমের ৪১ ও ৪২নাম্বার ওয়ার্ডের স্থানীয়দের জীবনযাপন এককথায় দুষ্কর হয়ে উঠেছে। সাত যুগ পেড়িয়েও বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে বর্জ্য নিষ্কাশন ও পুনঃনবীকরনের ক্ষেত্রে বাম বোর্ড চালিত পুরনিগম কোনরূপ পরিকল্পনা নেয়নি। বেশকিছুদিন আগে বাম বোর্ডকে রাজ্যের তরফে ডাম্পিং গ্রাউন্ডের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে শহরের তিনটি ভাগে ভাগ করে বর্জ্য পুনঃনবিকরন করে জৈব সার তৈরির বৃহৎ আকারের একটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের অর্থ পুরখাতে এসে পৌছায় রাজ্যের তরফে।
তবে অর্থ মেলার পরও কাজ শুরু করতে পারেনি শিলিগুড়ি পুরনিগমের তৎকালীন বাম বোর্ড। তবে এদিন কয়েক দশকের শিলিগুড়ি শহরের অপরিকল্পিত আবর্জনার পাহাড় ভেঙে প্রকল্পের কাজ শুরু করে বর্তমানে পুরনিগমের তৃনমূল পরিচালিত প্রশাসক বোর্ড। প্রশাসক বোর্ডের তরফে জানানো হয় প্রকল্প বাবদ ১৮কোটি টাকা খরচ হবে। রাজ্যের তরফে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে আবর্জনা দুটি অত্যাধুনিক বায়ো মাইনিং যন্ত্র পাঠানো হয়েছে। এই যন্ত্রে আবর্জনা তিনটি ভাগে ভাগ করে প্রক্রিয়াকরণ করে তার পুনর্নবীকরণ করা হবে। রাজ্য সরকারের তরফে কলকাতা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি কাজটি করছে। শহরের ডাম্পিং গ্রাউন্ডে ৭লক্ষ আবর্জনা স্তূপকারে রয়েছে যা আগামী ছয়মাসের মধ্যে অপসারণের টার্গেট রেখেই কাজ এগোচ্ছে।

Post a Comment